• ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

LPG Cylinder

কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে এক লাফে ৫০ টাকা দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

পেট্রোল-ডিজেলের পর এইবার রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ল। সিলিন্ডার প্রতি ৫০ টাকা বাড়ল গ্যাসের দাম। কলকাতায় এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়ে হল ৯৭৬ টাকা। ১৪.২ কেজি গ্যাসের জন্য উপভোক্তাদের এখন থেকে ৯৭৬ টাকা করে দিতে হবে। তবে এদিকে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমল ৮ টাকা। ১৯ কেজি গ্যাসের জন্য উপভোক্তাদের এখন থেকে দিতে হবে ২০৮৭ টাকা। আজ কলকাতায় ভর্তুকিযুক্ত ১৪.২ কেজি রান্নার গ্যাসের দাম ছিল ৯২৬ টাকা। কিন্তু এখন থেকে রান্নার গ্যাসের জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা বরাদ্দ করতে হবে বাজারের খরচ থেকে।প্রসঙ্গত, পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনের জন্যই রান্নার গ্যাস এবং জ্বালানি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি আটকে রাখা হয়েছিল বলে অনেক বিশেষজ্ঞদের মতামত। পাঁচ রাজ্যের ভোট মিটতেই সরকার নতুন দাম লাগু করছে। রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি দাম বেড়েছে পেট্রোল এবং ডিজেলেরও। সম্প্রতি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই সুরে সুর মিলিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনের ফলাফলের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এইবার গ্যাস এবং পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়াবে কেন্দ্র। এবং তাঁর আশঙ্কা সত্যিও হল। বলাই বাহুল্য, এই মূল্যবৃ্দ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়বে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তদের ভাঁড়ারে। এমনিতেই করোনা মহামারির কাঁটায় অনেকের আয়ে প্রভাব পড়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে নাস্তানাবুদ জনগণ। এমতাবস্থায় রান্নার গ্যাসের দামবৃদ্ধি গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতোই। রান্নার গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাও এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।

মার্চ ২২, ২০২২
দেশ

LPG: একধাক্কায় গ্যাসের দাম বাড়ল ২৬৬ টাকা

আরও মহার্ঘ হল গ্যাস। কমার্শিয়াল অর্থাৎ বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম একধাক্কায় বাড়ল অনেকটাই। সিলিন্ডার প্রতি দাম বেড়েছে ২৬৬ টাকা।সোমবার সবার থেকে কার্যকর হচ্ছে সেই দাম। তবে বাড়িতে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ১৯ কেজির কমার্শিয়াল অর্থাৎ বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এত দিন পর্যন্ত ছিল ১৭৩৪ টাকা। আজ থেকে সেটাই সিলিন্ডার প্রতি ২৬৬ টাকা করে বেড়ে হল ২০০০.৫০ টাকা।দাম বাড়ার পর মুম্বইতে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হল ১৯৫০ টাকা, কলকাতায় নতুন দাম হল ২০৭৩ টাকা, চেন্নাইতে দাম হল ২১৩৩ টাকা। স্বভাবিকভাবেই এই গ্যাসের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়বে হোটেল ও রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে। প্রভাবিত হবেন ব্যবসায়ীরা।এর আগে গত ৬ অক্টোবর বেড়েছিল রান্নার গ্যাসের দাম। মহালয়ার দিনেই দাম বেড়েছিল। গত তিন মাসে এই নিয়ে চতুর্থবার দাম বেড়েছিল গ্যাসের। সিলিন্ডার প্রতি ১৫ টাকা করে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভর্তুকিযুক্ত এবং ভর্তুকিবিহীন উভয় ক্ষেত্রেই দাম বাড়ানো হয়।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

LPG Price Hike: পুজোর আগেই ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের!

পুজোর আগে ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। প্রতিমাসেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে গ্যাসের দাম। হেঁসেল জ্বালাতেই যখন হিমশিম খাচ্ছে সবাই, সেই সময়ই ফের একবার বাড়ল গ্যাসের দাম। সেপ্টেম্বর মাসের পর এ বার অক্টোবর মাসের প্রথম দিনেই ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। তবে গৃহস্থদের এবার রেহাই দিয়ে দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের। ১৯ কেজির যে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার রয়েছে, তার দাম বেড়ে হয়েছে ১৮০৫ টাকা ৫০ পয়সা। আজ থেকেই যা কলকাতায় কার্যকর। উৎসবের মরশুমে এই দাম বৃদ্ধির কারণে রেস্তরাঁ, খাবারনের দোকানগুলিতেও দাম বাড়তে পারার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষভাবে সেই গৃহস্থের পকেটই ফাঁকা হতে চলেছে।।১৯ কেজির পাশাপাশি ৫ কেজি, ৪৭ কেজির সিলিন্ডারেরও দাম বেড়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নিতে গেলে এবার থেকে খরচ করতে হবে ১৪৪৬.৫০ টাকা। রিফিল সিলিন্ডারের জন্য ৫০২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ পড়বে। ফ্রি ট্রেড এলপিজির পিওএস সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে ১৪৬৪ টাকা লাগবে। রিফিল সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সেই খরচই পড়বে ৫২০ টাকা। ৪৭.৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে এবার থেকে সিলিন্ডার পিছু ৪৫১০ টাকা খরচ পড়বে। একস্ট্রা তেজ গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য ৪৫৬৬ টাকা খরচ হবে। ১৯ কেজি ন্যানো কাট বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এ বার থেকে পড়বে ২০৬৪ টাকা। ১৯ কেজি এক্সট্রা তেজ সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেই সেই খরচটা কিছুটা কম পড়বে। সিলিন্ডার পিছু দাম বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ১৮২৮ টাকা।

অক্টোবর ০১, ২০২১
কলকাতা

LPG: ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

ফের আমজনতার দুর্ভোগ বাড়িয়ে ১৫ দিনের মাথায় আরও চড়া হল রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) দাম। আজ থেকে কলকাতায় ১৪.২ কেজির ভর্তুকিহীন সিলিন্ডার কিনতে হবে ৯১১ টাকা দিয়ে। আগের থেকে আরও ২৫ টাকা বেশি। অর্থাৎ গত ডিসেম্বর থেকে গ্যাসের দাম বাড়ল ২৯০.৫০ টাকা। হোটেল-রেস্তোরাঁয় ব্যবহৃত সিলিন্ডারও (১৯ কেজি) ৭৩.৫০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৭৭০.৫০ টাকা। এ দিকে, সাত দিন থমকে থাকার পরে আজ আইওসি-র পাম্পে পেট্রল-ডিজ়েলের দর সামান্য কমছে, লিটারে যথাক্রমে ১০ পয়সা এবং ১৪ পয়সা। এর আগে অগস্টের মাঝামাঝি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ে ২৫ টাকা। ফলে মাত্র ১৫ দিনেই ৫০ টাকা সংসার খরচ বাড়ল গৃহস্থের। তেল সংস্থা সূত্রের খবর, বিশ্ব বাজারে এলপিজি-র মূল উপাদান প্রোপেন-বুটেনের দর বৃদ্ধিই এর কারণ। উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতিতে যখন সাধারণ রোজগেরে মানুষের এমনিতেই বেহাল দশা, তখন ভর্তুকি বাড়িয়ে কেন গ্রাহকদের স্বস্তি দিচ্ছে না মোদি সরকার? তবে তাতে কেন্দ্রের অবশ্য বিশেষ হেলদোল নেই। চড়া উৎপাদন শুল্ক কমিয়ে পেট্রল-ডিজেলে সুরাহা দেওয়ার আর্জিও ঠিক এ ভাবেই লাগাতার অগ্রাহ্য করে এসেছে তারা।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

LPG price hike: মধ্যবিত্তের হেঁশেলে ফের আগুন! এলপিজির দাম বাড়ল ২৫ টাকা

দেশে একের পর মূল্যবৃদ্ধিতে এমনিতেই নাজেহাল মানুষ। আর এবার গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম (LPG Price)। ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম (Cooking Gas Price) বাড়ল সিলিন্ডার পিছু ২৫ টাকা। যার ফলে কলকাতায় ১৪.২ কেজির ভর্তুকিহীন সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হল ৮৬১ টাকা। একইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ল বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামও। ৭৬ টাকা বেড়ে কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের (Commercial Gas) দাম দাঁড়াল ১৬২৯ টাকা। কমার্শিয়াল বা ব্যবসার ক্ষেত্রে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৮৪ টাকা বাড়াল তেল সংস্থাগুলি।আরও পড়ুনঃ হুল দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা মেমারির চোটখণ্ডেএদিকে, বাকি মেট্রো শহরগুলির তুলনায় গ্যাসের দামে শীর্ষেই রইল কলকাতা। দিল্লিতে ১৪.২ কেজির ভর্তুকিহীন সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ৮৩৪.৫০ টাকা। এছাড়া মুম্বইতেও ভর্তুকিহীন সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ৮৩৪.৫০ টাকা। আর চেন্নাইতে ভর্তুকিহীন সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয়েছে ৮৫০ টাকা।প্রসঙ্গত, প্রতি মাসের ১ তারিখে রান্নার গ্যাসের দাম সংশোধন করে। এপ্রিলে ১০ টাকা কমানো হয়েছিল গ্যাসের দাম। পয়লা মে কোনও দাম বাড়ানো হয়নি। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে দাম বাড়ানো হয়েছিল। আর এবার জুলাইয়ের শুরুতেই ২৫ টাকা বাড়ানো হল দাম। জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিতে এমনিতেই নাভিশ্বাস অবস্থা ছিল মধ্যবিত্তের, এবার রান্নার গ্যাসের দাম বাড়াতে মাথায় হাত পড়তে চলেছে আমজনতার।

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

ফের ২৫ টাকা দাম বাড়ল এলপিজির

পেট্রল-ডিজেলের পাশাপাশি ঊর্ধ্বমুখী গ্যাসের দামও। ফের ২৫ টাকা বাড়ল বাড়িতে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের দাম। এক মাসে চারবার দরবৃদ্ধিতে স্বাভাবিকভাবেই ঘুম উড়েছে আমজনতার।দিন পাঁচেক আগেই বেড়েছিল। রবিবার মধ্যরাতে ফের ২৫ বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে এই দর। অর্থাৎ এবার গ্যাস কিনতে আমজনতাকে খরচ করতে হবে ৮৪৫.৫০ টাকা। জানা গিয়েছে, বাড়ির পাশাপাশি হোটেল, রেস্তরাঁয় ব্যবহারের সিলিন্ডার অর্থাৎ বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও বেড়েছে। ৯৭. ৫০ টাকা বেড়ে গ্যাসের নতুন দাম হয়েছে ১৬৮১.৫০ টাকা। তবে ভর্তুকি কতটাকা মিলবে তা জানা যায়নি।রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি এখন নিয়ম করে মাসের শুরুর দিকেই রান্নার গ্যাসের দাম পর্যালোচনা করে। প্রতি মাসের শুরুতেই জানিয়ে দেওয়া হয় সিলিন্ডারের নতুন দাম। তবে এ মাসে এই নিয়ে চারবার মূল্যবৃদ্ধি হল। এর আগে ৪, ১৫ ও ২৪ তারিখ একইভাবে বেড়েছিল গ্যাসের দাম। গত মাস পর্যন্ত ৭২০ টাকা ৫০ পয়সা দিয়ে রান্নার গ্যাস কিনতেন আমজনতা। যেহেতু পেট্রল ও ডিজেলের দাম গত কয়েক দিন ধরে লাফিয়ে বাড়ছে। দেশের একাধিক শহরে পেট্রলের দাম ছাড়িয়েছে একশোর গণ্ডি। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়েই বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম। এর ফলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। স্বাভাবিক ভাবেই কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তোলা শুরু করেছে বিরোধীরা।

মার্চ ০১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

সীমান্তে একের পর এক গোপন যুদ্ধবিমান! উপগ্রহ ছবিতে ধরা পড়তেই বাড়ল ভারতের উদ্বেগ

সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা উপগ্রহ ছবিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ভ্যান্টরের প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভারতের উত্তর সীমান্তের কাছে চিনের দুটি বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামরিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে চিনের এই পদক্ষেপ শক্তি প্রদর্শন নাকি নিয়মিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ, তা এখনও স্পষ্ট নয়।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসের উপগ্রহ ছবিতে জিনজিয়াংয়ের হোটান বিমানঘাঁটিতে আটটি যুদ্ধবিমান দেখা গিয়েছে। এই ঘাঁটি উত্তর লাদাখের ভারতীয় সামরিক ঘাঁটির তুলনায় তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। আবার জুন মাসের আর একটি উপগ্রহ ছবিতে তিব্বতের ডামসুং বিমানঘাঁটিতে আরও চারটি একই ধরনের যুদ্ধবিমান দেখা যায়। এই ঘাঁটিও অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তের কাছাকাছি।সব মিলিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি পৃথক বিমানঘাঁটিতে মোট বারোটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ছবি সামনে এসেছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারতের সীমান্তের এত কাছে একসঙ্গে এত সংখ্যক এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘটনা আগে প্রকাশ্যে আসেনি। তাই বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্ব পাচ্ছে।এই যুদ্ধবিমানগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এগুলি এমনভাবে তৈরি যে সাধারণ রাডারে সহজে ধরা পড়ে না। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এগুলি আকাশযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হয়। এই কারণেই সীমান্তের কাছে এই ধরনের যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে এখনও পর্যন্ত এই উপগ্রহ ছবির বিষয়ে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ফলে চিনের এই পদক্ষেপের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা চললেও সরকারি স্তরে এখনও কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লিফট, জিম, সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত থিয়েটার! টুলুর বাড়ির অন্দরমহল দেখে চমকে গেল পুলিশ

বীরভূমের সিউড়িতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সুভাষপল্লিতে অবস্থিত তাঁর বিশাল বাড়ির অন্দরসজ্জা এবং বিলাসবহুল ব্যবস্থা নজর কেড়েছে। তদন্তের স্বার্থে সেখানে পুলিশি তল্লাশি চললেও এখনও পর্যন্ত নগদ টাকা বা সোনা উদ্ধারের সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।বাড়ির প্রবেশদ্বার পেরোলেই রয়েছে বড় সাজানো বাগান। বিভিন্ন বিদেশি ও বাহারি গাছ, পরিচ্ছন্ন লন এবং সারিবদ্ধ গাছপালা পুরো এলাকাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। চারতলা এই বাড়ির ভিতরে এক তলা থেকে অন্য তলায় ওঠানামার জন্য লিফট রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক শরীরচর্চার ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত সিনেমা দেখার ঘর এবং সুইমিং পুল। মার্বেল পাথরে তৈরি মেঝে, দৃষ্টিনন্দন আলো এবং সুসজ্জিত অন্দরমহল বাড়িটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।বাড়িতে রয়েছে একাধিক গ্যারেজ এবং সেখানে রাখা রয়েছে দামি গাড়ি। এছাড়া সিউড়ির পাশাপাশি মহম্মদবাজার এলাকাতেও টুলু মণ্ডলের ব্যবসা সংক্রান্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিনার মণ্ডলের বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিপুল নগদের উৎস খতিয়ে দেখতেই টুলু মণ্ডলের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সুভাষপল্লির বাড়িতেও জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। তদন্তকারীদের সঙ্গে স্বর্ণকারও সেখানে পৌঁছেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই বাড়ি থেকে সোনা বা নগদ টাকা উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ৩০, ২০২৬
দেশ

বড় ইঙ্গিত সৌগতের! তৃণমূলে ফিরছেন তিন সংখ্যালঘু সাংসদ? রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা

তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া তিন সংখ্যালঘু সাংসদকে ঘিরে আবারও রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁদের অনুপস্থিতি এবং পরে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্য নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।সৌগত রায় জানিয়েছেন, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েকজন সাংসদের সঙ্গে এখনও তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, তিন সংখ্যালঘু সাংসদ-সহ আরও কয়েকজন বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।সৌগত রায়ের বক্তব্য, প্রথমে তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া এবং পরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ায় অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই কয়েকজন সাংসদ নতুন করে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন। তবে কারা কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেছেন, পুরো বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের জানা রয়েছে। যদি ওই সাংসদরা আবার তৃণমূলে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে করা দলত্যাগ সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়েও নতুন করে ভাবা হতে পারে।এদিকে, বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ওই তিন সাংসদ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেননি। এরপর থেকেই তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। এখন নজর, আগামী দিনে তাঁরা সত্যিই নতুন সিদ্ধান্ত নেন কি না।

জুলাই ৩০, ২০২৬
রাজ্য

'জীবিকায় ভাগ বসাচ্ছে রোহিঙ্গারা', অভিযোগ তুলে পথে নামল বহরমপুরের তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বৃহস্পতিবার সকালে তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের একাংশ বিক্ষোভ মিছিল করে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি জমা দেন। বহরমপুর শহর এবং সংলগ্ন এলাকার বহু তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায় এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের দাবি, সম্প্রতি এলাকার সামাজিক ও পেশাগত পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয়দের জীবিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বহিরাগত কিছু হিজড়া স্থানীয় এলাকায় এসে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁদের আরও দাবি, এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি রোহিঙ্গা বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনও সরকারি বা প্রশাসনিক নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এই বহিরাগতদের সহায়তায় স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য কাজ করছেন, যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বহিরাগতদের কারণে তাঁদের দীর্ঘদিনের আয়ের উৎসে প্রভাব পড়ছে এবং আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি, কয়েকজন বিক্ষোভকারী দাবি করেন, তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে বহরমপুর থানায় স্মারকলিপি দেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের আবেদন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত পরিচয় যাচাই করা হোক এবং স্থানীয় তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও জীবিকার স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।এ বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

এনকাউন্টার নিয়ে বড় প্রশ্ন! বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তের এনকাউন্টার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অভিযুক্তকে কী পরিস্থিতিতে গুলি করা হয়েছিল, সেই বিষয়ে জেলা পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। হলফনামা আকারে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগামী সতেরো অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী শিলাদিত্য রক্ষিত। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে।আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে দাবি করেন, অভিযুক্তকে নিরাপদে হেফাজতে রাখার দায়িত্ব পুলিশের ছিল। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ হলে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা নয়। তাই গোটা ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত হওয়া উচিত বলে তিনি আদালতে আবেদন জানান।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, অভিযুক্ত সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। সেই কারণেই পুলিশ গুলি চালাতে বাধ্য হয়।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিষয়টি স্পষ্টভাবে বুঝতে পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রয়োজন। সেই কারণে জেলা পুলিশকে হলফনামা আকারে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বারুইপুরের এই বহুচর্চিত ঘটনায় হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতি এখন আদালতের জমা পড়া রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করবে। আগামী সতেরো অগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানিতে সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! অবশেষে কলকাতায় খুলল তদন্তকারী সংস্থার থানা, বদলে যাবে তদন্তের ছবি?

অবশেষে কলকাতায় চালু হল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানা। এতদিন এই সংস্থার কলকাতায় শুধু শাখা দফতর থাকলেও, কোনও মামলার তদন্ত শুরু করতে হলে প্রথমে দিল্লিতে মামলা নথিভুক্ত করতে হত। এবার সেই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এল। এখন থেকে কলকাতাতেই মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করা যাবে। নিউ টাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারেই চালু হয়েছে নতুন এই থানা।এতদিন রাজ্যে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্ত করতে হলে দিল্লির দফতরে মামলা নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল। তার পর তদন্তের কাজ শুরু হত। নতুন থানা চালু হওয়ায় সেই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, আগের রাজ্য সরকারের আমলেও এই থানা তৈরির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেই সময় অনুমোদন মেলেনি। পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়।এই থানায় অন্যান্য থানার মতোই ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, তদন্তকারী আধিকারিক, উপপরিদর্শক এবং কনস্টেবল-সহ প্রয়োজনীয় পদ থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আওতায় পড়া কোনও মামলার তদন্তের প্রয়োজন হলে, সেই তদন্তের প্রশাসনিক কাজ এখন থেকে এই থানার মাধ্যমেই পরিচালিত হবে।বর্তমানে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত করছে এই সংস্থা। বেলডাঙার অশান্তি, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড এবং বিস্ফোরণের একাধিক মামলায় তদন্ত চলছে। নতুন থানা চালু হওয়ার ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং সহজ হবে বলেই প্রশাসনিক মহলের একাংশের ধারণা।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্য সফরের সময়ও এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তার কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার থানার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

জুলাই ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দেড় কোটির তিনটি চেকই বাউন্স! বড় বিপাকে মহমেডান, প্রেসিডেন্টকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

আবারও বিতর্কে মহমেডান ক্লাবের সভাপতি হুমায়ুন কবির। ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য করার জন্য তিনি মোট দেড় কোটি টাকার তিনটি চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তিনটি চেকই বাউন্স করেছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় মহমেডান ক্লাবের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে তিন দফায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা করে মোট তিনটি চেক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার পর প্রতিটি চেকই ফেরত আসে। এর ফলে ক্লাবের আগের বকেয়া মেটানো এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন ফুটবলার নিবন্ধনেও সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের অন্য কর্তারা উদ্যোগ নিয়ে বকেয়ার একটি অংশ মেটানোর চেষ্টা করেন।এই অভিযোগ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির দাবি করেছেন, তিনি নিজেই ক্লাবের সভাপতি এবং চেকের দায়িত্বও তাঁর। তাঁর বক্তব্য, ক্লাবের স্বার্থেই চেক দেওয়া হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই টাকা মিটে যাবে। তিনি আরও বলেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া আগেভাগে চেক জমা দেওয়া হয়েছে বলেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোনও ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।অন্যদিকে ক্লাবের সহ-সভাপতি ওয়াসিম আক্রম জানিয়েছেন, হুমায়ুন কবির যে তিনটি চেক দিয়েছিলেন, সবকটিই ব্যাঙ্ক থেকে ফেরত এসেছে। তাঁর দাবি, নির্ধারিত তারিখেই চেক জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা ছিল না। এখন খেলোয়াড়দের বকেয়া বেতন মেটানোই ক্লাবের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও মাঠে জয় দিয়ে ডুরান্ড কাপ অভিযান শুরু করেছে মহমেডান। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও ক্লাবের আর্থিক সমস্যা দ্রুত না মিটলে আগামী দিনে দল পরিচালনা নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সমর্থকদের একাংশ।

জুলাই ৩০, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! স্কুলের পোশাক থেকে বিদায় বিশ্ব বাংলা, বদলে যাচ্ছে ইউনিফর্মের রংও

রাজ্যের স্কুলগুলিতে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এবার স্কুল ইউনিফর্ম নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বহুদিনের নির্দিষ্ট নীল রঙের ইউনিফর্মের নিয়মেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।সরকার জানিয়েছে, আগামী দিনে আর সব স্কুলকে একই রঙের ইউনিফর্ম পরতে হবে না। প্রতিটি স্কুল নিজেদের ঐতিহ্য, পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করতে পারবে। এর ফলে দীর্ঘদিনের একরঙা পোশাকের পরিবর্তে বিভিন্ন স্কুলে আলাদা পরিচয় তৈরি হবে।সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল স্কুলগুলির নিজস্ব ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্যকে ফিরিয়ে আনা। একই সঙ্গে ইউনিফর্ম থেকে বিশ্ব বাংলা লোগো সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও কার্যকর করা হবে।শিক্ষা মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কুলগুলি নিজেদের পরিচয় আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। অন্যদিকে, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও এই নতুন নিয়ম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর, কবে থেকে নতুন ইউনিফর্মের নিয়ম কার্যকর হয় এবং কোন স্কুল কী রঙের পোশাক বেছে নেয়।

জুলাই ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal